Muttiah_Muralitharan best spin bowler

avatar
(Edited)

Muttiah_Muralitharan.jpg
source

মুরালিধরণ সাবেক শ্রীলংকান ক্রিকেটার। হাজার ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল শ্রীলংকা জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯২ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক হয় তার। মাত্র তিন উইকেট পেয়েছিলেন সেই ম্যাচে। এরপর ১৯৯৫ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে ৫ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আলো ছড়ান। তার বোলিং নিয়ে আস্টেলিয়ান আম্পায়ার বিতর্ক করেছিল এই জন্য একটি টেস্টে ম্যাচের ভিতরে তার বোলিং বাতিল করে দেয়। পর মুরালিধরন আইসিসির মাধ্যমে পরিক্ষা করে প্রমান করেন যে তিনি বৈধ। ১৯৯৭ সালে তিনি প্রথম কোন লঙ্কান বোলার হিসেবে টেস্ট ম্যচ ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

১৯৯৮ সালে ক্রিকেট দুনিয়াকে তিনি তার প্রথম জাদু দেখান। ম্যাচটি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ম্যাচে ১০ উইকেটের বিশাল জয় পায় শ্রীলংকা। কিন্তু আবারো অভিযোগের তীর তার দিকে এবার ব্রিটিশ আম্পায়ার তার বোলিং নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি আবারো বায়োমেকানিক্যাল পরিক্ষা দেন এবং নিজেকে বৈধ প্রমান করেন। তিনি নিজের জিবনের সেরা বোলিং স্পেল করেন ২০০২ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচ এক ইনিংসেই তিনি ৯ উইকেট তুলে নেন। নিজের জীবনবের ৭২ তম টেস্ট ম্যাচেই ৪০০ উইকেটের স্বপ্নিল মাইলফলক ছুয়ে ফেলেন।২০০৪ সালের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে আবারো প্রশ্নের মুখোমুখি মুরালি। এবার তিনি তার দুসরা নিয়ে বিপদে পড়েন। পরিক্ষা করে দেখা যায় দুসরা দেয়ার সময় তার হাত ১৪ ডিগ্রী বেকে যায় কিন্তু তখন যে নিয়ম ছিল সেই নিয়ম অনুজায়ী তার বোলিং অবৈধ হয়ে যায় কিন্তু পরে খেয়াল করে দেখা যায় এই নিয়ম অনুজায়ী অনেক বোলারের বোলিং এ্যাকশন অবৈধ। এরপরে আইসিসি ১৫ ডিগ্রীর হাত বাকানোর অনুমোদন দেয় এবং তার বোলিং এ্যাকশন আবারো বিশুদ্ধ প্রমানিত হয়।

bejmb52o_muttiah-muralitharan-twitter_625x300_18_April_21.jpg
source
এই বছরটি মুরালির জীবনের অন্যতম সেরা বছর। ২০০৬ সালে তিনি ১১ টেস্ট খেলে ৯০টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই বছর ইংল্যান্ডে একটি টেস্ট ম্যাচে ইংলিশদের ৩২৫ রানের টার্গেট দিয়েছিল শ্রীলংকা দারুন শুরু করেছিল দুই ইংলিশ অপেনার কিন্তু মুরালির ঘূর্ণির জাদুতে ১৯০ রানেই শেষ হয়ে যায় ইংলিশদের ইনিংস। মুরালি নিয়েছিলে আটটি উইকেট। শেন ওয়ারন ৭০০ উইকেট নিয়েই ক্রিকেটকে বিদায় দিয়েছিলেন। কিন্তু মুরালি তার পিছনেই ছিল তাকে কাটিয়ে জাওয়ার জন্য এবং সেই সুযোগ আসে ২০০৭ সালে পল কলিঙ্গুডকে আউট করার পর । পলকে আউট করে তিনি ওয়ারনকে ছাড়িয়ে জান।

২০১০ সাল মুরালির টেস্ট খেলার শেষ অধ্যায় চলে এসেছে। ভারতে সাথে প্রথম টেস্ট খেলেই অবসরে চলে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়ে দেন তিনি। মুরালির ঝুড়িতে তখন ৭৯২ উইকেট আর মাত্র আটটি উইকেট হলেই ইতিহাস বানিয়ে ফেলবেন। কিন্তু ম্যাচের ২য় দিন থেকেই বৃষ্টির বাধা। লংকান্দের দেয়া ৫৭০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ফলোয়ানে ভারত । সেই ইনিংসে তিনি ৫ উইকেট শিকার করে নেন। ফলয়ানে পড়া ভারত আবারো ব্যাট করতে নামে তখন তার দরকার দুই উইকেট তাহলে ইতিহাসের পাতায় নাম উঠে যাবে। ভারতের সব উইকেট শেষ আর মাত্র এক উইকেট বাকি এবং মুরালির বাকি ১ উইকেট ৮০০ শিকারের মালিক হতে। মুরালির করা বল প্রজ্ঞান ওঝার ব্যাটের কনায় লেগে ক্যাচ স্লিপে থাকা মাহেলা ধরে নেয় এবং তৈরি হয়ে যায় এক ইতিহাসের।



Career statistics

CompetitionTestODIFCLA
Matches133350232453
Wickets8005341,374682




0
0
0.000
0 comments